1. admin@banglarakash.com : admin :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুলের জন্মজয়ন্তীতে সরকারি ছুটির দাবি, পরিবারের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা, বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইল ঈদের ছুটিতে ভোমরা স্থলবন্দরে টানা ৭ দিন আমদানি–রফতানি বন্ধ জুলাই অভ্যুত্থানের মামলা: ৪০ গুলির দাবি, তদন্তে কোনো প্রমাণ মেলেনি টাঙ্গাইলে ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর মান্দার বাসিন্দা গাইবান্ধায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা নতুন পে-স্কেল: বেসিকের ৫০% ও সম্ভাব্য ১০০% বৃদ্ধিতে কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়তে পারে ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লেন মেসি, বিশ্বকাপ নিয়ে দুশ্চিন্তা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী আজ ঈদের ছুটির মধ্যেও আজ ও কাল নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম

আবু সাঈদ হত্যা: এখন শুধু ন্যায়বিচারের অপেক্ষা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪৫ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

রংপুরের পীরগঞ্জের জাফরপাড়া গ্রাম আজও শোকে ভারাক্রান্ত। বাড়ির উঠোন, যেখানে একসময় হাসিখুশি আবু সাঈদের পদচারণা ছিল, আজ সেখানে নেমে এসেছে নীরবতা। পরিবারের সেই প্রিয় সন্তান এখন সাড়ে তিন হাত মাটির নিচে, রেখে গেছে শুধু শোক আর বিচার পাওয়ার অপেক্ষা।

আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার বহুল প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়কে ঘিরে সারাদেশের দৃষ্টি এখন আদালতের দিকে। তবে পীরগঞ্জের বাবনপুরে আবু সাঈদের কবরের পাশে বসে আছেন তার বাবা-মা—মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগম, তাদের চোখে শুধু শূন্যতা আর অপেক্ষা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মনোয়ারা বেগম বলেন, “আমার ছেলেটা কারও কোনো ক্ষতি করে নাই। ওকে কেন এভাবে মারল? আমি আমার ছেলেকে আর পাব না, কিন্তু যারা ওকে হত্যা করেছে, তাদের কঠিন শাস্তি চাই।”

আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, “ছেলেটা ছিল আমাদের পরিবারের আলো। আজ তার কবরের পাশে দাঁড়ালে বুকটা ফেটে যায়। আমরা চাই তার হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।”

পরিবারের অন্য সদস্যরাও একই দাবি জানিয়ে বলেন, আবু সাঈদের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারকে নয়, পুরো দেশকে নাড়া দিয়েছে। তারা আশা করছেন, আদালত সঠিক বিচার নিশ্চিত করবে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সহযোদ্ধারাও মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে আছেন। তারা দাবি করেন, ঘটনার সাথে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তার মৃত্যু দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং আন্দোলনের নতুন মাত্রা যোগ করে। পরে তার বড় ভাই রমজান আলী মামলা করেন, যা পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়।

আজকের রায়কে ঘিরে পরিবার, সহযোদ্ধা এবং দেশের মানুষের প্রত্যাশা একটাই—ন্যায়বিচার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT