1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৬৩০ কার্টন সিগারেট ও ৫ স্মার্টফোন জব্দ বৈশাখী উৎসবে এনসিপি নেতাকর্মীদের নাচে মাতোয়ারা মুহূর্ত যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আস্থার সংকট দ্রুত কাটবে না: জে ডি ভ্যান্স ‘নজিরবিহীন’ জ্বালানি সংকট ডেকে আনতে পারে বিশ্বমন্দা: আইএমএফের সতর্কবার্তা ছত্তিশগড়ে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লার বিস্ফোরণ, নিহত ১১ নানক–তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ প্রবাসীর বাড়ির দরজায় শিকল লাগিয়ে গোয়াল থেকে ৫টি গরু চুরি জামালপুরে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ নারী আটক, বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার আজ শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, চলবে চার দিন

হাসপাতালে যেমন আছেন খালেদা জিয়া

বাংলার আকাশ নিউজ ২৪ ডট কম Email:banglarakashnews24@gmail.com
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১২৯ Time View

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ২৬ দিন ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। মূলত লিভার সিরোসিস থেকেই সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক জটিলতা বাড়ছে। পেটে পানি চলে আসছে। প্রতিনিয়ত তা অপসারণ করতে হচ্ছে। লিভার সিরোসিসের কারণে শরীরে প্রোটিন কমে যাচ্ছে। তবে হাসপাতালের কেবিনে রেখেই বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসা চলছে।

গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে প্রয়োজন ছিল ম্যাডামকে বিদেশে নিয়ে তার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা। যেটা বাংলাদেশে সম্ভব নয়।

এখানে ঠিকমতো চিকিৎসা না হওয়ার কারণে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। তার পায়ের বাতের ব্যথা বাড়ছে। হার্টের সমস্যা রয়েছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছে। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কতোদিন খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে থাকতে হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে মেডিকেল বোর্ডের ওই সদস্য জানান, এটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এটি নির্ভর করছে তার সুস্থতার ওপর।

 

এ ব্যাপারে বিএনপির স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা যেভাবে আশা করেছিলাম ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার সেভাবে উন্নতি হচ্ছে না। লিভার সিরোসিসের সমস্যার কারণে শরীরে অন্য প্যারামিটারের জটিলতাগুলো বাড়ছে। হার্ট-কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। মেডিকেল বোর্ড আগেই পরামর্শ দিয়েছিল- ম্যাডামকে বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানোর জন্য। তখন সরকার অনুমতি দিলে আজকে এই সমস্যাটা হতো না। এখন মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ীই তার চিকিৎসা চলছে। তারা জানিয়েছে, সহসাই ম্যাডামকে বাসায় নেওয়া সম্ভব হবে না। হাসপাতালে রেখেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

এদিকে রোববার রাতে খালেদা জিয়াকে দেখতে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। খালেদা জিয়ার শয্যার পাশে দীর্ঘ ৪০ মিনিট অবস্থান করেন তিনি। এ সময় ৭৮ বছর বয়সী সাবেক তিন বারের এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির মামলায় কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে। দেশে করোনা মহামারি শুরুর পর ২০২০ সালের ২৫শে মার্চ তাকে সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্তসাপেক্ষে সাময়িক মুক্তি দেয়া হয়। তখন থেকে তিনি গুলশানের বাসভবনে অবস্থান করছেন। ৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিস, অস্টিও আর্থাইটিস, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কিডনি, হৃদযন্ত্রে জটিলতা, ফুসফুস, চোখ ও দাঁতের নানা সমস্যায় ভুগছেন। এ ছাড়া তার মেরুদণ্ড, ঘাড়, হাত ও হাঁটুতে বাতের সমস্যাসহ আরও কিছু শারীরিক জটিলতা রয়েছে।

২০২১ সালের এপ্রিলে কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কয়েকবার নানা অসুস্থতার কারণে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। গত বছরের জুনে বুকে ব্যথা অনুভব করলে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেয়া হয়। এরপর এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়। চলতি বছরের ১৩ই জুন রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে সময় হাসপাতালে পাঁচদিন চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। সর্বশেষ গত ৯ই আগস্ট শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। এরপর থেকে ২৬ দিন ধরে হাসপাতালে রয়েছেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে মোট ৩৭টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুই মামলায় তিনি কারা ভোগ করছেন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ১০ বছর এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তাকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আর নাইকো মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT