1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নজরুলের জন্মজয়ন্তীতে সরকারি ছুটির দাবি, পরিবারের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্র–ইরান চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা, বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে ইসরাইল ঈদের ছুটিতে ভোমরা স্থলবন্দরে টানা ৭ দিন আমদানি–রফতানি বন্ধ জুলাই অভ্যুত্থানের মামলা: ৪০ গুলির দাবি, তদন্তে কোনো প্রমাণ মেলেনি টাঙ্গাইলে ট্রাক দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর মান্দার বাসিন্দা গাইবান্ধায় ৬০ মণ ভেজাল হলুদ-মরিচের গুঁড়া ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা নতুন পে-স্কেল: বেসিকের ৫০% ও সম্ভাব্য ১০০% বৃদ্ধিতে কোন গ্রেডে কত বেতন বাড়তে পারে ইনজুরিতে মাঠ ছাড়লেন মেসি, বিশ্বকাপ নিয়ে দুশ্চিন্তা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী আজ ঈদের ছুটির মধ্যেও আজ ও কাল নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম

হবিগঞ্জে বাড়ছে বন্যা, পানিবন্দি ৭ লাখ মানুষ

বাংলার আকাশ ডট কম email:banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ২৪৭ Time View

উজান-ভাটি দুদিক থেকেই চাপে পড়েছে হবিগঞ্জ। সিলেট ও সুনাগঞ্জের বন্যার পানি কালনি-কুশিয়ারা দিয়ে নামছে হবিগঞ্জে। অন্যদিকে জেলার ভাটি এলাকা দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর পানি বেড়েই চলছে। এতে উজান-ভাটি দুদিক থেকেই হবিগঞ্জে ঢুকছে পানি। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৭ লাখ মানুষ। এতে দুর্ভোগের অন্ত নেই বানভাসি মানুষের।

জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে জেলায় বন্যার পানি আঘাত হানে। শুরুতেই বাড়তে থাকে কালনী, কুশিয়ারা, খোয়াইসহ বিভিন্ন নদীর পানি। কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবল বেগে নবীগঞ্জ ও আজমিরীগঞ্জ উপজেলা দিয়ে প্রবেশ করে। বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেয়।

মুহূর্তের মধ্যেই প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকা। ক্রমেই পানি বাড়তে থাকায় আক্রান্ত হয় বানিয়াচং ও লাখাই উপজেলাও। আর সর্বশেষ বুধবার থেকে নতুন করে প্লাবিত হতে থাকে বাহুবল উপজেলাও।

এদিকে প্রতিদিনই বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে খাদ্য সহায়তা দিয়ে চলেছেন জেলা প্রশাসকসহ কর্মকর্তারা। মাঠে আছেন জনপ্রতিনিধিরাও।

জেলা প্রশাসন বলছে, বানভাসিদের উদ্ধার তৎপরতা চলছে। সেই সঙ্গে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বন্যাদুর্গতদের জন্য জেলায় ৯৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, বন্যার কারণে উপজেলার কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হন। রাস্তাঘাট, হাটবাজার পানিতে তলিয়ে গেছে। বাজারের দোকানপাট ডুবে গেছে।

লাখাই গ্রামের বাসিন্দা আবুল মনসুর রনি জানান, পানির অবস্থা খুব খারাপ। প্রতিনিয়তই পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবুল বশর মাহমুদ বলেন, গত ১৬ দিন ধরে বন্যার পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। হঠাৎ আমার ঘরে পানি ঢুকে পড়ে। পানিতে ভিজেই অনেক কষ্ট করে মালামাল সরাতে হয়েছে। ফ্রিজ, ফার্নিচার সব পানিতে ভিজছে। সরাতে পারিনি।

তিনি বলেন, পানির মধ্যে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানিতে ডুবন্ত ঘরের টিন, পিলার চুরি হয়ে যাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান জানান, জেলার চার উপজেলা বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুধবার থেকে বাহুবল উপজেলায়ও পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, বন্যায় আক্রান্তদের অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে আসেননি। তারা গবাদিপশু বা অন্যান্য জিনিসের কারণে বাড়ি ছেড়ে গ্রামের উঁচু জায়গায় অবস্থান নিয়েছেন। কেউ আবার উঁচুতে আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, বন্যায় জেলার প্রায় ৫ থেকে ৭ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

(আহৃত)

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT