বাংলার আকাশ ডেস্ক :
হাম (Measles) একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার প্রায় ৭–১৪ দিনের মধ্যে এর লক্ষণ প্রকাশ পায়। প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে তীব্র জ্বর (প্রায় ১০৪°F পর্যন্ত), সর্দি, কাশি, চোখ লাল হওয়া এবং সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়া। অনেক সময় মুখে, বিশেষ করে গালের ভেতরে ছোট সাদা দাগ (Koplik spots) দেখা যায়।
শিশু অসুস্থ হলে বাবা-মায়েরা চিন্তায় পড়ে যান—কোন খাবার খাওয়ানো উচিত আর কোনগুলো এড়িয়ে চলা উচিত। হাম হলে শিশুর খাদ্যাভ্যাসে কিছু সতর্কতা মেনে চলা খুব জরুরি।
১. প্রক্রিয়াজাত খাবার (Processed Foods)
চিপস, ফাস্ট ফুড, প্যাকেটজাত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। এগুলো রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমাতে পারে এবং সুস্থ হতে সময় বেশি লাগে।
২. ভাজা ও অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার
এ ধরনের খাবার হজমে সমস্যা করে এবং শরীরকে আরও দুর্বল করে দিতে পারে।
৩. ঝাল ও মশলাদার খাবার
ঝাল খাবার গলা ও মুখে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে, কাশি ও গলাব্যথা বাড়াতে পারে।
৪. ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় (চা, কফি, এনার্জি ড্রিংক)
এগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেট করতে পারে এবং অসুস্থতা বাড়াতে পারে, তাই সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত।
১. গরম ও হালকা স্যুপ
চিকেন বা ডিমের সাদা অংশ দিয়ে তৈরি হালকা স্যুপ খুব উপকারী। অতিরিক্ত মশলা ছাড়া বানাতে হবে।
২. ডাবের পানি, ফল ও ফলের জুস
প্রাকৃতিকভাবে তৈরি ফলের জুস বা ডাবের পানি শরীরকে হাইড্রেট রাখে। প্রয়োজন হলে সামান্য চিনি দেওয়া যেতে পারে।
৩. পুষ্টিকর সবজি ও খাবার
গাজর, মিষ্টি কুমড়া, ডাল-সবজি খিচুড়ি ইত্যাদি সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়া যেতে পারে।
হাম অত্যন্ত সংক্রামক এবং এটি নিউমোনিয়া, কানে ইনফেকশন বা মস্তিষ্কের প্রদাহ (এনসেফালাইটিস)-এর মতো গুরুতর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই—