বাংলার আকাশ ডেস্ক :
রাজশাহী নগরীতে ডাকাতি, চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাসিন্দারা। অপরাধীদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ায় অনেকেই পার পেয়ে যাচ্ছেন এবং পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন।
এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (RMP) ও সিটি করপোরেশন যৌথভাবে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রায় ২২৬টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। পর্যায়ক্রমে আরও উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যা অপরাধীর চেহারা ও যানবাহনের নম্বর শনাক্ত করতে সক্ষম হবে।
সম্প্রতি ছিনতাইকারীরা ব্যাটারি চালিত রিকশা থামিয়ে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিস ছিনিয়ে নিচ্ছে—যার কিছু দৃশ্য সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে।
একটি ঘটনায় দেখা যায়, গত বছরের ৩০ নভেম্বর গভীর রাতে কয়েকজন ডাকাত একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ঢুকে নিরাপত্তা প্রহরীকে বেঁধে প্রায় তিন লাখ টাকা লুট করে নেয়।
নগরীতে দিন-দুপুরেও মোবাইল, পার্স ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের ঘটনা বাড়ছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেক ভুক্তভোগী নানা ঝামেলার কারণে থানায় অভিযোগও করেন না।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হামলায় পূর্বের প্রায় ৪২০টি সিসিটিভি ক্যামেরার বেশিরভাগই ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কন্ট্রোল রুমও পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
বর্তমানে নতুন করে বসানো ২২৬টি ক্যামেরার পাশাপাশি আরও ১৫৫টি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। তৃতীয় ধাপে আরও ১০টি উন্নত ক্যামেরা বসানো হবে, যা ডাটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অপরাধ দমনে সহায়তা করবে।
প্রতিটি ক্যামেরার দাম প্রায় ১৩ হাজার টাকা এবং সব মিলিয়ে ২২৬টি ক্যামেরা স্থাপনে খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।