1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের বিক্ষোভ মিছিল, গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি এইচএসসিতে অংশ নিতে না পারার ১৩ হাজার টাকার অভিযোগ সত্য নয়: শিক্ষা মন্ত্রণালয় মুখোমুখি বাস–ট্রাক সংঘর্ষে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে আহত ৭ বিদেশি সিগারেট চোরাচালানে বাড়ছে ঝুঁকি, লাগেজে মিলছে বড় চালান ছাত্রদলের ‘ভুয়া কমিটি’ বিজ্ঞপ্তি ভাইরাল, সই জালিয়াতির অভিযোগ রিজভীর বিশ্বকাপ থেকে বিদায়েও আত্মবিশ্বাসী কেপ ভার্দে কোচ, ‘দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছি’ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ঘিরে তেহরানে লাখো মানুষের ঢল, কড়া স্লোগানে মুখর শহর জুলাই শহীদদের স্মরণে জাতীয় সম্মেলন, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফরিদপুরে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান বিতরণ ও নৈশ বিদ্যালয়ের উদ্বোধন করলেন নায়াব ইউসুফ ‘জুলাই সনদকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে বিএনপি’—মামুনুল হক

খামেনির শেষ শ্রদ্ধায় তেহরানে জনস্রোত, গ্র্যান্ড মোসাল্লার বাইরে দীর্ঘ অপেক্ষা

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৩ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের বাইরে শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই হাজারো মানুষ ভিড় করেন। স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় সাধারণ মানুষের জন্য প্রবেশপথ খুলে দেওয়ার আগেই দীর্ঘ সারি তৈরি হয়।

এর আগের দিন একই স্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মানুষ প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে সেখানে উপস্থিত হন।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা এক নারী বলেন, প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানানো তাদের কাছে একটি দায়িত্ব ও আবেগের বিষয়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও সেটিকে তারা কষ্ট হিসেবে দেখছেন না।

খামেনির মৃত্যুর পর ইরানজুড়ে কয়েক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হচ্ছে। রাজধানীর পাশাপাশি বিভিন্ন শহর থেকেও বিপুলসংখ্যক মানুষ তেহরানে এসে শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন।

রাষ্ট্রীয় সূত্রের প্রত্যাশা, জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা অনুষ্ঠানে এক কোটিরও বেশি মানুষের উপস্থিতি হতে পারে। বিভিন্ন দেশ থেকে শতাধিক প্রতিনিধিদল অংশ নিলেও ইউরোপের দেশগুলোকে এবার আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

শোক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অনেকেই খামেনিকে ইরানের সাহস, নেতৃত্ব ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের ভাষ্য, তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং দেশের ইতিহাস ও আদর্শের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত একটি নাম।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। একই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। পরবর্তী সময়ে আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনার কারণে তার রাষ্ট্রীয় দাফন অনুষ্ঠান কয়েক দফা পিছিয়ে যায়। যুদ্ধবিরতির সুযোগে প্রায় চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে জানাজা ও দাফনের আয়োজন করা হচ্ছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যা ইরান ও ইরাকের একাধিক শহরে পালিত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে খামেনির মরদেহ তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আনা হয় এবং শুক্রবার রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ শীর্ষ রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিরা অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, বুদ্ধিজীবী এবং ইরানের মিত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরাও শ্রদ্ধা জানান।

আয়োজনে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ধর্মীয় প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিল। লেবাননের হিজবুল্লাহর নেতার পরিবারের সদস্য এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক অভিযানে সমর্থন দেওয়া দেশগুলোকে এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, শেষ বিদায়ের এই আয়োজন শুধু শোক প্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের কূটনৈতিক অবস্থান ও রাজনৈতিক বার্তাও তুলে ধরেছে।

রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, তেহরানের পর মরদেহ কোম, নাজাফ ও কারবালা হয়ে শেষ পর্যন্ত মাশহাদে নেওয়া হবে। প্রতিটি শহরেই বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT