বাংলার আকাশ ডেস্ক :
জাপানকে হারিয়ে ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করলেও স্বস্তিতে নেই ব্রাজিল শিবির। দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো ও লুকাস পাকেতার চোটে পড়ার খবরে কোচ কার্লো অ্যানচেলত্তির পরিকল্পনায় নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে জয় পেলেও ব্রাজিলকে বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সামনে আরও কঠিন প্রতিপক্ষ থাকায় দলের সেরা একাদশ গঠন এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলোয়াড়দের চোট ও ফিটনেস সমস্যার কারণে ম্যাচভেদে এমনকি ম্যাচ চলাকালেও কৌশল ও পজিশনে পরিবর্তন আনতে হচ্ছে কোচকে।
বিশ্বকাপে আংশিক ফিট অবস্থায় খেলছেন নেইমার। অন্যদিকে ইনজুরির কারণে রদ্রিগো, এস্তেভাও ও ওয়েসলির মতো কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় শুরু থেকেই দলে নেই। এরই মধ্যে রাফিনিয়ার চোট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। সর্বশেষ জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের পর ক্যাসেমিরো ও লুকাস পাকেতার শারীরিক অবস্থা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ফলে শেষ ষোলোর ম্যাচে তাদের পাওয়া যাবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
তবে দলের মনোবল বাড়াতে নিয়মিত গ্যালারিতে উপস্থিত থাকছেন ব্রাজিলের সাবেক কিংবদন্তি ফুটবলাররা। রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনিও, কাফু, কাকা, রিভালদো ও বেবেতোর মতো তারকারা মাঠে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিচ্ছেন এবং অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন পরামর্শও দিচ্ছেন।
এদিকে, আক্রমণভাগের গোল করার ধারাবাহিকতা নিয়েও চিন্তায় রয়েছে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, মাতেউস কুনিয়া ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লিরা সুযোগ তৈরি করলেও প্রত্যাশিত হারে গোল করতে পারছেন না। ফলে দলের আক্রমণে আরও কার্যকারিতা আনার চেষ্টা করছেন অ্যানচেলত্তি।
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হবে নরওয়ে। ইনজুরি সংকট কাটিয়ে দল কতটা প্রস্তুত হতে পারে, সেটিই এখন সেলেসাও সমর্থকদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।