বাংলার আকাশ ডেস্ক:
বিশ্বকাপে হেক্সা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত নরওয়ের কাছে ২–১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আবারও ব্যর্থতার মুখ দেখল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে খেললেও প্রথমার্ধে কোনো গোল হয়নি। গোলরক্ষকদের নৈপুণ্যে একাধিক সুযোগ নষ্ট হয়। ৪০তম মিনিটে ভিনিসিউস জুনিয়রের শট সেভ করেন নরওয়ের গোলরক্ষক, আর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে অ্যালিসনের দৃঢ়তায় বেঁচে যায় ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচে কিছুটা গতি আসে। ১১তম মিনিটে ডি-বক্সে কুনহাকে ফাউল করলে শুরুতে রেফারি পেনাল্টি না দিলেও পরে ভিএআরের সাহায্যে ব্রাজিল পেনাল্টি পায়। তবে গিমারেসের শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক নিল্যান্ড।
৮০তম মিনিটে হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন আর্লিং হালান্ড। ৯০তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে নেইমার এক গোল শোধ করলেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি ব্রাজিল।
এই ম্যাচে নেইমারকে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে মাঠে নামান কোচ আনচেলত্তি। তবে তার প্রত্যাবর্তনও দলকে রক্ষা করতে পারেনি।
ঐতিহাসিকভাবে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের রেকর্ডও ছিল হতাশাজনক। চারবারের মুখোমুখিতে একবারও জিততে পারেনি সেলেসাওরা; দুটি জয় নরওয়ের, দুটি ম্যাচ ড্র হয়। ২০০৬ সালের পর এবারই প্রথম বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল।
এই পরাজয়ের ফলে আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা অধরাই থেকে গেল ব্রাজিলের জন্য।