বাংলার আকাশ ডেস্ক :
অতিরিক্ত ভ্যাট ও শুল্কের কারণে দেশে সিগারেটের দাম বাড়ায় বিদেশি সিগারেট চোরাচালানের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এখন এ চোরাচালানের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে জানা গেছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা যায়, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা যাত্রীদের লাগেজে নিয়মিতভাবে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেট পাওয়া যাচ্ছে। গত ছয় মাসে প্রায় ২৪ হাজারের বেশি কার্টন সিগারেট জব্দ করা হয়েছে, পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ই-সিগারেটও আটক করা হয়।
কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত বিভিন্ন মাসে পৃথক অভিযানে এসব সিগারেট জব্দ করা হয়। এর মধ্যে শুধু মে মাসেই প্রায় ৫ হাজার ৮০০ কার্টনের বেশি সিগারেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বিমানবন্দরের পরিচালক জানান, কাস্টমস গোয়েন্দা ও এভিয়েশন সিকিউরিটির তৎপরতা এবং স্ক্যানিং কার্যক্রম জোরদারের কারণে বড় পরিমাণ চালান আটক করা সম্ভব হচ্ছে। এতে সরকারের রাজস্ব সুরক্ষিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা জানান, ব্যাগেজ রুল অনুযায়ী একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ২০০ শলাকা সিগারেট বহন করতে পারেন। এর বেশি পাওয়া গেলে তা জব্দ করা হয়।
কাস্টমস কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ডিউটি-ফ্রি বাজারে তুলনামূলক কম দামে সিগারেট পাওয়া যায়। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে দেশে এনে তা কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি করায় একটি চক্র লাভবান হচ্ছে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যাত্রীদের লাগেজে আরও কঠোর তল্লাশি চালানো গেলে চোরাচালান আরও কমানো সম্ভব হবে।