বাংলার আকাশ ডেস্ক :
রাজধানীর মুগদায় সৌদি প্রবাসী মোকাররম মিয়াকে নৃশংসভাবে হত্যার পর মরদেহ ৮ টুকরা করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, হত্যার পর মরদেহ পলিথিনে ভরে মুগদার মান্ডা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। পরে ভিকটিমের খণ্ডিত দেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোকাররম মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিনি সৌদি প্রবাসী ছিলেন বলে জানা গেছে।
র্যাব জানায়, এ ঘটনায় তাসলিমা আক্তার ওরফে হাসনা (৩১) নামে এক নারী ও তার সহযোগীরা জড়িত থাকতে পারে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার পরিকল্পনা ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।
ঘটনার বর্ণনায় র্যাব জানায়, পারিবারিক ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের জেরে টাকা-পয়সা নিয়ে বিরোধের সূত্র ধরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার আগে ও পরে অভিযুক্তরা স্বাভাবিক আচরণ করছিল বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) তদন্ত চালাচ্ছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ধরনের জঘন্য হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।