বাংলার আকাশ ডেস্ক :
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক রুট হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ও সম্ভাব্য টোল ব্যবস্থা নিয়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি ওমান।
ইরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালি ইরান ও ওমানের আঞ্চলিক জলসীমার মধ্যে অবস্থিত। তাই এর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেন, প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর নিবন্ধন এবং প্রতি ব্যারেল তেলে প্রায় এক ডলার ফি আরোপের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের এই প্রস্তাবিত টোল ব্যবস্থার তীব্র বিরোধিতা করেছে। হোয়াইট হাউসের মতে, এমন সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত করবে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র আরও জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা এ ধরনের পদক্ষেপ প্রতিরোধ করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের মোট তেল পরিবহনের একটি বড় অংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করে। ফলে এখানে যেকোনো ধরনের উত্তেজনা বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রয়েছে ওমান। হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ পাশে থাকা মুসান্দাম অঞ্চলের কারণে দেশটি একদিকে ইরান, অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর কৌশলগত চাপের মধ্যে রয়েছে। তবে এ ইস্যুতে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানায়নি মাস্কাট।