1. admin@banglarakash.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

ব্যয় বৃদ্ধিতে ধান চাষে আগ্রহ কমছে, বাড়ছে আমদানির নির্ভরতা

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯০ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

দেশে জ্বালানি ও কৃষি উপকরণের দাম বাড়ার প্রভাবে ধান উৎপাদন কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক ধান চাষ থেকে সরে গিয়ে অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। এতে কোথাও কোথাও জমি অনাবাদী পড়ে থাকছে, আবার কোথাও ধানের বদলে ভুট্টা বা তামাক চাষ বাড়ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, ধান চাষে লাভ খুবই কম। সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ—সব মিলিয়ে খরচ অনেক বেশি হলেও ধানের ন্যায্য দাম পাওয়া যায় না। ফলে ক্ষতির আশঙ্কায় অনেকেই ধান চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে ডিজেল সংকটের কারণে অনেক এলাকায় সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। কয়েকজন কৃষক জানান, টানা কয়েকদিন ডিজেল না পাওয়ায় তারা সেচ পাম্প চালাতে পারেননি, যা সরাসরি ফসল উৎপাদনে প্রভাব ফেলছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব, বিশেষ করে জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের কৃষি খাতে চাপ তৈরি করছে। এই অবস্থায় পরিকল্পিত কৃষিনীতি ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করা জরুরি।

তাদের মতে, কৃষিপণ্য আমদানিতে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হয়, তার একটি অংশ যদি সরাসরি কৃষকদের সহায়তায় ব্যবহার করা যায়, তাহলে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে। এতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষিখাতে কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দশকে চাল ও গম আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে, যার বড় একটি অংশই চাল আমদানিতে গেছে। এতে দেশীয় উৎপাদনের ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অর্থনীতিবিদদের মতে, কোন পণ্য দেশে উৎপাদন করা হবে আর কোনটি আমদানি করা হবে—এই ভারসাম্য ঠিক রাখা জরুরি। অতিরিক্ত আমদানিনির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

এদিকে, কৃষিজমি কমে যাওয়া, জলাশয় শুকিয়ে যাওয়া এবং অনাবাদী জমির পরিমাণ বাড়ার বিষয়টিও উদ্বেগজনক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তা বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT