1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান বিতর্কচর্চা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে, কার্যকর সংসদের গুরুত্ব তুলে ধরলেন কিরণ বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ, ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান নাসিব কেন্দ্রীয় নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার, অব্যাহত রাখবেন ক্লাব ক্যারিয়ার ফরিদপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ দুই স্থানে ৪ জনের মৃত্যু নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ব্রাজিল, হেক্সা স্বপ্ন আবারও ভেঙে গেল ২০২৬ বিশ্বকাপই ক্যারিয়ারের শেষ আসর, জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

যশোরে চাহিদার দ্বিগুণ ধান উৎপাদন, তবুও ন্যায্য মূল্য নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৭৯ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

যশোরে চলতি বোরো মৌসুমে চাহিদার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ধান উৎপাদন হলেও ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। অনুকূল আবহাওয়া, উন্নত বীজ ও সার সরবরাহে ভালো ফলন হলেও উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে লাভ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় প্রায় আড়াই লাখ মেট্রিক টন চাল উদ্বৃত্ত থাকবে, যা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

আবাদ ও উৎপাদনের চিত্র-

জেলার এক লাখ ৯৭ হাজার ৮৫০ হেক্টর আবাদযোগ্য জমির মধ্যে এক লাখ ৫৭ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে।
মিনিকেট, ব্রি-৬৭, ব্রি-৬৩, বীনা-২৫সহ বিভিন্ন উচ্চফলনশীল জাতের ধান রোপণ করেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ধান উৎপাদন ১০ লাখ ৭২ হাজার মেট্রিক টন ছাড়াতে পারে, যা থেকে প্রায় ৭ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন সম্ভব।

কৃষকদের অভিজ্ঞতা-

যশোর সদর উপজেলার কৃষক আব্দুস সাত্তার বলেন,

“ফলন ভালো হলেও সার-কীটনাশক ও শ্রমিক খরচ বেড়ে গেছে, লাভ খুব সীমিত থাকবে।”

ভাতুরিয়া এলাকার চাষি আমিনুল ইসলাম জানান, বিঘাপ্রতি খরচ ২০–২২ হাজার টাকা হওয়ায় বড় ধরনের লাভ পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

মনিরামপুরের কৃষক জয়নাল হোসেন বলেন, দেরিতে চাষ করেও এবার ধানের ফলন ভালো হয়েছে এবং আবহাওয়াও তুলনামূলক অনুকূলে ছিল।

কৃষি বিভাগের বক্তব্য-

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর-এর অতিরিক্ত পরিচালক সমরেন বিশ্বাস বলেন, কৃষকদের সার, সেচ ও পরামর্শ সহায়তা নিশ্চিত করায় এবার বোরো উৎপাদন ভালো হয়েছে।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ দ্রুত সংগ্রহের জন্য প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

প্রধান চ্যালেঞ্জ: ন্যায্য দাম-

উৎপাদন বেশি হলেও বাজারে ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়া নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে কৃষকদের মধ্যে। উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT