1. admin@banglarakash.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকার পশুর হাট ইজারায় আলোচনার ঝড়, রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে দাবি–পাল্টা দাবি ফরিদপুরে ঈদুল আজহা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা সভা, নিরাপদ হাট ও সড়ক ব্যবস্থাপনায় বিশেষ নির্দেশনা নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা ৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার ফল: ১০১ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘাটতিই মূল কারণ হিলি কামারপল্লীতে ঈদবাজারের চাপ, হাতুড়ির টুংটাং শব্দে মুখর চারপাশ ঝিকরগাছায় বাঁশবাগান থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য ধর্ষণের স্বীকারোক্তির পরও শাস্তি বিলম্ব কেন—প্রশ্ন কনক চাঁপার ফাইনাল মানেই ‘দিবু’ ম্যাজিক, আবারও শিরোপার নায়ক এমি মার্টিনেজ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে যুদ্ধবিরতি ও সংলাপে জোর শি-পুতিনের “বিচার করতে পারবেন না”—ক্ষোভে ফেটে পড়লেন শিশু রামিসার বাবা

হিলি কামারপল্লীতে ঈদবাজারের চাপ, হাতুড়ির টুংটাং শব্দে মুখর চারপাশ

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ২৫ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলি এলাকার কামারপল্লীগুলো এখন ব্যস্ততার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতিসহ কোরবানির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জামের চাহিদা। ফলে দিন-রাত এক করে কাজ করছেন স্থানীয় কামাররা।

হিলি এলাকার কামারশালাগুলোতে এখন অবিরাম শোনা যাচ্ছে হাতুড়ির টুংটাং শব্দ। কয়লার আগুনে লোহা পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত টানা কাজ করছেন কারিগররা, যেন দম ফেলার সময়ও নেই।

স্থানীয় কামাররা জানান, ঈদুল আজহাই তাদের সবচেয়ে বড় মৌসুম। বছরের অন্য সময় কাজ কম থাকলেও এ সময় অর্ডারের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তবে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়ায় ঐতিহ্যবাহী এই পেশা দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে।

একজন কামার জানান, আগের মতো এখন আর অনেক কামার নেই। হাতে গোনা কয়েকজনই এই পেশায় টিকে আছেন। তবুও ঈদ মৌসুমে কাজের চাপ বাড়ায় কিছুটা হলেও সারা বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।

বর্তমানে বাজারে চাপাতি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়, হাঁসুয়া ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, ছোট ছুরি ৫০ থেকে ১০০ টাকা এবং বড় ছুরি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি পুরোনো সরঞ্জাম শান দিতেও ভিড় করছেন অনেকে।

ক্রেতাদের কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, ঈদের সময় সুযোগ বুঝে দাম কিছুটা বাড়ানো হয়। আবার সীমিত দোকান থাকার কারণে বাধ্য হয়েই এসব পণ্য কিনতে হচ্ছে তাদের।

সব মিলিয়ে হিলির কামারপল্লীগুলো এখন ঈদবাজারের চাপে সরগরম। কারিগররা আশা করছেন, শেষ মুহূর্তে বিক্রি ভালো হলে তাদের সারা বছরের আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT