1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৯০ বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান, আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় গুরুত্ব ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে বিক্ষুব্ধ এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আশ্বাস দিলেন শিক্ষামন্ত্রী, প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষার ইঙ্গিত পাঁচ দফা দাবিতে ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, বুধবার নতুন কর্মসূচির ঘোষণা শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান বিতর্কচর্চা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে, কার্যকর সংসদের গুরুত্ব তুলে ধরলেন কিরণ বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ, ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান নাসিব কেন্দ্রীয় নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার, অব্যাহত রাখবেন ক্লাব ক্যারিয়ার

১৮ মাসে সুন্দরবনে ৮১ অস্ত্র উদ্ধার, ৬১ দস্যু গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬১ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলে ধারাবাহিক অভিযানে গত দেড় বছরে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করেছে কোস্ট গার্ড। একই সঙ্গে দস্যু দমনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা গেছে, গত ১৮ মাসে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ৮১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৫৯৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ, জাহাঙ্গীর ও আসাবুরসহ বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৬১ জন দস্যুকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি অপহৃত ৭৮ জন জেলে ও তিনজন পর্যটককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

অভিযানে দস্যুদের বেশ কয়েকটি আস্তানা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৯৪৪ কেজি হরিণের মাংস, ৯০০টি শিকারের ফাঁদ এবং অন্যান্য অবৈধ সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২৯ জন শিকারিকেও আটক করা হয়।

সংস্থাটি আরও জানায়, এই সময়ে প্রায় ১ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ জাল ও বিপুল পরিমাণ রেণুপোনা জব্দ করা হয়েছে, যা উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কোস্ট গার্ড কর্মকর্তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে কিছু নতুন দস্যু চক্র আবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি যৌথ অভিযান চলছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত প্রচেষ্টায় সুন্দরবনের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে উল্লেখ করে তারা বলেন, জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালদের নিরাপদে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করাই এসব অভিযানের মূল লক্ষ্য।

সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় কোস্ট গার্ড।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT