আবু হানিফ আর সাফুরা খাতুন (দুজনেরই ছদ্মনাম) পিঠাপিঠি ভাইবোন। ৫০ বছর আগে আমের মাসে তাঁদের মা দুনিয়া ছেড়ে চলে যান। তখন তাঁরা সবে স্কুলে লেখাপড়া করছিলেন। এখন তাঁরা বড় হয়েছেন।
ঈদুল আজহার পর চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই দিনে ঢাকার শেয়ারবাজারে নেতিবাচক ধারা দেখা গেলেও আজ সূচক ঊর্ধ্বমুখী। আজ মূলত খাদ্য, বিমা, আবাসন, আইটি ও সিমেন্ট খাতের শেয়ার মূল্যবৃদ্ধিতে এগিয়ে আছে।
বিদায়ি অর্থবছরে (২০২২-২৩) পণ্য রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। তবে ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। বিদায়ি অর্থবছরে (জুলাই-জুন) রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৮০০ কোটি মার্কিন ডলার। তার
অর্থবছরের ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (আরএডিপি) বাস্তবায়নে বিরাজ করছে করুণ চিত্র। শতভাগ অগ্রগতি অর্জন করতে হলে মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সামনে রয়েছে মাত্র দুই মাসে ১ লাখ
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আসন্ন (২০২৩-২৪) অর্থবছরের বাজেটে ‘জনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা’ খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিট বাজেটের ৫৫ শতাংশই ব্যয় হবে পুলিশবাহিনীতে। বাকি ৪৫ শতাংশ
করোনাভাইরাস মহামারির ধাক্কা সামলিয়ে উঠতে না উঠতেই আরেক ধাক্কা লাগে দেশের অর্থনীতিতে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি টালমাটাল অবস্থায় পড়ে যায়। সেই নেতিবাচক প্রভাব এখনো চলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ
সরকারের একটি নির্দিষ্ট সময়ের আয়-ব্যয়ের খতিয়ান হচ্ছে বাজেট। বাংলাদেশে বাজেটের অন্যতম সমস্যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় রাজস্ব আদায় কম। এই আয় বাড়ানোই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এটি মোকাবিলায় সরকারকে কার্যকর
করযোগ্য আয় না থাকলেও আগামী বছর থেকে আয়কর দিতে হবে। রিটার্ন জমার স্লিপ বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পেতে শূন্য রিটার্ন জমা (করযোগ্য আয় না দেখিয়ে রিটার্ন জমা) দিলেও দুই হাজার টাকা
ট্রেডিং ব্যবসা বা বিদেশ থেকে তৈরি পণ্য আমদানি করে দেশে বিক্রির প্রসার ঘটায় শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আমদানি করা পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে দেশীয় শিল্পে বিপর্যয়
মূল্যস্ফীতিসহ পাঁচ ধরনের চাপে রয়েছে দেশের অর্থনীতি। এগুলো হলো প্রবাসী আয় কমে আসা, রপ্তানি আয়ে কাক্সিক্ষত লক্ষ্য পূরণ না হওয়া, রিজার্ভ কমে যাওয়া এবং রাজস্ব আদায় কম হওয়া। এসব চাপ