1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান বিতর্কচর্চা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে তোলে, কার্যকর সংসদের গুরুত্ব তুলে ধরলেন কিরণ বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ, ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান নাসিব কেন্দ্রীয় নির্বাচন ২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার, অব্যাহত রাখবেন ক্লাব ক্যারিয়ার ফরিদপুরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে পাহাড় ধসে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ দুই স্থানে ৪ জনের মৃত্যু নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ব্রাজিল, হেক্সা স্বপ্ন আবারও ভেঙে গেল ২০২৬ বিশ্বকাপই ক্যারিয়ারের শেষ আসর, জানালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

পারকিনসনস নিয়ে সচেতনতা

তথ্য সংগ্রহেঃ মোঃ ইকবাল হোসেন শুভ
  • Update Time : সোমবার, ১১ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩২৭ Time View

পারকিনসনস মস্তিষ্কের ক্ষয়জনিত একটি রোগ মস্তিষ্কের সাবস্ট্যানশিয়া নাইগ্রা নামক অংশের স্নায়ুকোষ বা নিউরন শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ডোপামিন নামক নিউরোট্রান্সমিটারের ঘাটতি দেখা দেয় স্বাভাবিক অবস্থায় মস্তিষ্কে ব্যাজাল গ্যাংলিয়া শরীরের চলাফেরা, গতি বা নড়াচড়ার সমন্বয় করে থাকে ডোপামিনের অভাবে এই সমন্বয় নষ্ট হয়ে যায় ফলে পারকিনসনস নামের রোগটি দেখা দেয়

কেন হয়

৭০ শতাংশের ক্ষেত্রে পারকিনসনসের কারণ অজানা। শতাংশের ক্ষেত্রে জেনেটিক কারণকে দায়ী করা যায়। বাকি ২৫ শতাংশ বিভিন্ন কারণে হয়। যেমন মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ, বারবার মস্তিষ্কের আঘাত, মস্তিষ্কে সংক্রমণ, টিউমার, উইলসন ডিজিজসহ মস্তিষ্কের অন্যান্য রোগ

রোগে নারীপুরুষ সমানভাবে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সাধারণত ৬০ বছর বয়সের পরে পারকিনসনস রোগ হয়। তবে জেনেটিক ক্ষেত্রে কম ১৫ থেকে ২০ বছর বয়সের মধ্যেও যে কেউ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন

উপসর্গ

পারকিনসনসের প্রধান লক্ষণ তিনটি। হাতপা কাঁপুনি, হাতপা স্বাভাবিকের চেয়ে শক্ত হয়ে যাওয়া চলাফেরার গতি ধীর হয়ে যাওয়া। ছাড়া সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটা, স্বর ক্ষীণ হয়ে যাওয়া, কম কথা বলা, চোখের পাতার নড়াচড়া কমে যাওয়া বারবার পড়ে যাওয়াও এর লক্ষণ লক্ষণগুলোকে বলা হয় মোটর সিম্পটম। এর বাইরে কিছু নন মোটর সিম্পটম আছে। সেগুলো হলো ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতা, উদ্বিগ্নতা, উদাসীনতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঘুম কম হওয়া, বারবার প্রস্রাবে চাপ অনুভব করা বা প্রস্রাব আটকে যাওয়া, যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি

চিকিৎসা

সঠিক সময়ে সঠিকভাবে চিকিৎসা নিলে একজন পারকিনসনস রোগী দীর্ঘদিন ভালো থাকেন। জন্য আজীবন ওষুধ খেতে হয়। এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য রোগ নয়

অস্ত্রোপচারের কোনো ভূমিকা এই রোগের চিকিৎসায় নেই। তবে ডিবিএস (ডিপ ব্রেন স্টিমুলেশন) পদ্ধতিতে অতি ক্ষুদ্র ইলেকট্রোড মস্তিষ্কের গভীরে স্থাপন করা হয়। এতে ওষুধ অনেক কম লাগে। উপসর্গ ৯০ শতাংশ কমে যায়। রোগী দীর্ঘদিন ভালো থাকতে পারেন। কিন্তু এটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। পদ্ধতি আমাদের দেশে সীমিত পরিসরে চালু হয়েছে

অ্যাডভান্সড পারকিনসনস ডিজিজরোগীর ক্ষেত্রে লিভোডোপা প্যাচ, অ্যাপোমরফিন ইনফিউশন পাম্প এবং লিভোডোপাকারভিডোপা ইনটেস্টিনাল জেল (এলসিআইজি) রয়েছে। এগুলোও ব্যয়বহুল। ওষুধের পাশাপাশি ব্যায়াম বা ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে পারকিনসনস রোগের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হতে পারে

গড় আয়ু বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে পারকিনসনস এর মধ্যে অন্যতম রোগী নিজে পরিবারের সদস্যরা সচেতন হলে রোগী সচল থাকা সম্ভব জন্য রোগীকে সব সময়ই ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে যেতে হবে

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT