বাংলার আকাশ ডেস্ক :
রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত একইসঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। আদায়ের পর এ অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর আইনগত উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধ না করলে আসামিদের সম্পত্তি বিক্রির মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায়ের কথাও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
রায় ঘোষণার সময় আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, এ ধরনের অপরাধ শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজকে নাড়া দেয়। মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালত মত দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবী এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্তের মাধ্যমে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার পর নিহত শিশুর বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে অল্প সময়ের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং দ্রুত বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। আলোচিত এ মামলার রায়কে ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য ন্যায়বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।