1. admin@banglarakash.com : admin :
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

২০৩৪ সালে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ২৮২ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। তবে এই লক্ষ্য অর্জনে টানা উচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার পাশাপাশি অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠাকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ২১টি দেশের অর্থনীতির আকার ১ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনীতির আকার প্রায় ৫১০ বিলিয়ন ডলার। আগামী সাড়ে আট বছরে এ অর্থনীতিকে দ্বিগুণের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ লক্ষ্য অর্জনে আগামী বছরগুলোতে গড়ে ৯ শতাংশের বেশি জিডিপি প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন হবে। অথচ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কমেছে।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে তা সাড়ে ৪ শতাংশের কাছাকাছি থাকতে পারে বলে ধারণা দিয়েছে আইএমএফ। অন্যদিকে আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৬ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে সরকার।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুধু উচ্চ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করলেই হবে না, অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

সিপিডির গবেষকদের মতে, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, উচ্চ ঋণ সুদহার, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে না পারলে বড় অর্থনৈতিক লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে।

ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের মতে, জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা, নীতিগত ধারাবাহিকতা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পরিবেশ তৈরি করা জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করতে হলে রাজস্ব আদায় বাড়ানো, উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন এবং কাঠামোগত সংস্কারে জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি ও ব্যাংকিং খাতের সংকট সমাধান প্রয়োজন।

অর্থনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা, সরকারের ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাস্তবায়নে কতটা অগ্রগতি সম্ভব, তার বড় ইঙ্গিত পাওয়া যাবে আসন্ন জাতীয় বাজেটের দিকনির্দেশনায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT