দেশজুড়ে চলমান হামের (Measles) প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও কিছু সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বর্তমান জরুরি টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে চললে আগামী ১ থেকে ২ মাসের মধ্যে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমতে শুরু করবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকা গ্রহণের পর শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠতে সাধারণত ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লাগে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে সংক্রমণ কমে না, বরং ধীরে ধীরে পরিস্থিতি উন্নতির দিকে যায়।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এক ডোজ টিকা আংশিক সুরক্ষা দিলেও দুই ডোজ টিকা পূর্ণ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। তাই চলমান জরুরি টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি পরবর্তী বুস্টার ডোজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ বিষয়ে World Health Organization-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, টিকাদান কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সংক্রমণের হার কমতে শুরু করে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত আলাদা রাখা (আইসোলেশন), স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং টিকাদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।