বাংলার আকাশ ডেস্ক :
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের খামারগুলোতে দেশীয় পদ্ধতিতে প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ৬ লাখ গবাদিপশু। এসব গরুর মধ্যে রয়েছে ‘বাহাদুর’, ‘কালা মানিক’, ‘বাদশা’ ও ‘সুলতান’সহ বিভিন্ন নামের আকর্ষণীয় পশু।
অনলাইনে ছবি দেখে অনেক ক্রেতা সরাসরি খামারে গিয়ে গরু দেখছেন ও কিনছেন। প্রতিদিনই বিভিন্ন খামারে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
খামারিরা জানান, প্রতিদিন সকাল থেকেই গরুগুলো পরিচর্যার জন্য বের করা হচ্ছে। খাদ্য হিসেবে খড়, সবুজ ঘাস, ভুষি, খোল ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার দেওয়া হচ্ছে। বাড়তি খরচের মধ্যেও ভালো দামের আশায় খামারিরা দিনরাত পরিশ্রম করছেন। অনেক বড় গরু ইতোমধ্যে খামার থেকেই বিক্রি হয়ে গেছে।
উল্লাপাড়ার খামারি শহিদুল হক বলেন, ক্রেতারা দরদাম ঠিক হলে গরু কিনে নিচ্ছেন। অনেকেই কিনে আবার ঈদের আগে পর্যন্ত খামারেই রেখে যাচ্ছেন।
শাহজাদপুরের খামারি নাজমুল জানান, ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে গরুর পরিচর্যা চলছে। নিয়মিত গোসল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পশুগুলো প্রস্তুত করা হয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক জানান, এ বছর সিরাজগঞ্জে কোরবানির জন্য প্রায় ৬ লাখ পশু প্রস্তুত রয়েছে, যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। জেলার ৯ উপজেলায় প্রায় ১৭ হাজার খামার রয়েছে।
তিনি আরও জানান, জেলার চাহিদা প্রায় আড়াই লাখ পশু হলেও অতিরিক্ত পশু দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাটে সরবরাহ করা হবে।