1. admin@banglarakash.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

বান্দরবানে ২৪৪ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত শিক্ষা

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫০ Time View
পাহাড়ি এলাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন শিক্ষক, প্রধান শিক্ষকের কক্ষটি খালি পড়ে রয়েছে।
ছবি: সংগৃহীত।

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

বান্দরবান পার্বত্য জেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ৪৩৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৪৪টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ খালি। এছাড়া সহকারী শিক্ষকের ২ হাজার ৩৯টি পদের মধ্যে ৬১টি পদ শূন্য রয়েছে। ফলে বিদ্যালয়গুলোর স্বাভাবিক পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলাভিত্তিক প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদের চিত্র—

  • রুমা: ৬৮টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৪টি (সবচেয়ে সংকটজনক)
  • রোয়াংছড়ি: ৬২টির মধ্যে ৪১টি
  • আলীকদম: ৫০টির মধ্যে ৩৮টি
  • থানচি: ৩৮টির মধ্যে ৩২টি
  • লামা: ৮৫টির মধ্যে ৩৫টি
  • নাইক্ষ্যংছড়ি: ৫৬টির মধ্যে ৩৩টি
  • বান্দরবান সদর: ৭৬টির মধ্যে ১১টি

অতিরিক্ত চাপ ও পাঠদানে বিঘ্ন: দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় সহকারী শিক্ষকেরা ভারপ্রাপ্ত বা চলতি দায়িত্বে প্রশাসনিক ও দাফতরিক কাজ সামলাচ্ছেন। এতে একদিকে শ্রেণিকক্ষে তাঁদের পাঠদানের সময় কমে যাচ্ছে, অন্যদিকে অন্যান্য শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত ক্লাসের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক বিদ্যালয়ে দপ্তরি বা নৈশপ্রহরী না থাকায় পরিচ্ছন্নতা ও ঘণ্টার কাজও শিক্ষকদেরই করতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ১৯৮৬ সালে বান্দরবানে বিদ্যালয়ের সংখ্যা ছিল ২১৯টি। গত ৪০ বছরে আরও ২১৬টি বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হলেও শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা সে অনুপাতে বাড়েনি। দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বিদ্যালয়গুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে।

উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের বক্তব্য: আলীকদম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সামশুল আলম বলেন, “নৌকার মাঝি না থাকলে যেমন নৌকা সঠিকভাবে চলতে পারে না, প্রধান শিক্ষক ছাড়া বিদ্যালয়ের অবস্থাও তেমনই করুণ। চলতি দায়িত্বপ্রাপ্তদের দিয়ে কাজ চালাতে গিয়ে নানা সমস্যা হচ্ছে।”

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পরিণয় চাকমা জানান, সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে। তবে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮০ শতাংশ পদোন্নতি এবং ২০ শতাংশ সরাসরি নিয়োগের বিধান রয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল মনসুর জানান, প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগটি জেলা পরিষদের ন্যস্ত বিভাগ। ইতোমধ্যে ৪২টি সহকারী শিক্ষকের শূন্য পদে নিয়োগের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে প্রধান শিক্ষকের পদোন্নতি বা নিয়োগের এখতিয়ার জেলা পরিষদের নেই; এই নিয়োগ সরকারি কর্ম কমিশনের (PSC) মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। শূন্য পদগুলোতে দ্রুত নিয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT