1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

ধলেশ্বরী নদীর তীব্র ভাঙনে সিরাজদীখানে ১৫ পরিবার ঝুঁকিতে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯১ Time View
Sirajdikhan-Dhaleswari-River-Disaster
ছবি : সংগৃহীত।

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখানে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদীর প্রচণ্ড স্রোতে ইতোমধ্যে একটি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক এই ভাঙনে কেয়াইন ইউনিয়নের বড় বর্তা গ্রামের অন্তত ১৫টি পরিবার চরম ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

গত রবিবার দুপুরে হঠাৎ করেই ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতে গফুর শেখের বসতঘরের একটি টিনের ঘর আসবাবপত্রসহ নদীতে তলিয়ে যায়। চোখের সামনে বহু বছরের তিলতিল করে গড়ে তোলা মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছে পরিবারটি।

ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয়দের বক্তব্য:

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ক্ষতিগ্রস্ত গফুর শেখ বলেন, ‘হঠাৎ করে নদীর পার ভাঙতে শুরু করে। চোখের পলকে কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘরটি নদীতে চলে যায়। ঘরের কোনো মালপত্র বের করারও সুযোগ পাইনি।’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েক দিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতের কারণে বড় বর্তা গ্রামে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর পার ভাঙতে ভাঙতে বসতবাড়ির খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে যেকোনো মুহূর্তে আরও ১৫টি পরিবার তাদের ঘরবাড়ি হারাতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

আরেক ভুক্তভোগী নাদিম হোসেন অনিক অভিযোগ করেন, একদিকে নদীর প্রমত্ত স্রোত, অন্যদিকে প্রতিদিন নদী দিয়ে ১৫-২০টি বাল্কহেড বালু পরিবহন করা হচ্ছে। এসব ভারী নৌযানের চলাচলের কারণে নদীর পাড়ে অতিরিক্ত ঢেউ ও চাপের সৃষ্টি হয়ে ভাঙন আরও তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে তার নিজের বাড়িটিও নদীতে বিলীন হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT