1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

বাবা কারাগারে মা কবরে, অসহায় ৭ সন্তান

বাংলার আকাশ নিউজ ২৪ ডট কম Email:banglarakashnews24@gmail.com
  • Update Time : সোমবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৩
  • ৩২১ Time View

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে তালাক দেওয়া স্ত্রী গালিগালাজ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যা করেছে সাবেক স্বামী। ৭ সন্তানের জননী আকলিমা আক্তারকে হাত-পা কেটে হত্যা করে তার প্রথম স্বামী সুজন মিয়া। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর আদালতের মাধ্যমে সুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়েছে আকলিমাকে। ৯ মাসের সন্তানসহ ৭ সন্তান এখন অসহায়। তাদের ঘরে এক বেলার খাবারও নেই। রোববার বিষয়টি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। সামনে আসে তাদের সংসারের করুণ চিত্র।

সাত সন্তানরা হলো- তাহমিনা আক্তার, তানজিনা আক্তার মমনিনা আক্তার, ছাবিনা আক্তার, সাহেদা আক্তার, আতাউর রহমান ও হাবিবুর রহমান।

রোববার বিকাল ৪টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার ছনখলা গ্রামে নিহত আকলিমার বাবার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় ৭ সন্তানকে। ওই দম্পতির মেজো মেয়ে তানজিনা আক্তার জানান, তার বাবা মাদকাসক্ত। প্রায়ই নেশা করে বাড়ি ফিরে তাদের মাকে নির্যাতন করতেন। তানজিনা বলেন, ‘বাবা আমাদের ভরণপোষণ করেন না। মা-ই আমাদের একমাত্র ভরসা ছিলেন। আমার বাবা সেই মায়ের হাত-পা কেটে দিয়েছে। এখন আমরা কেমনে বাঁচুম’-এই বলে কান্নায় ভেঙে পড়ে তানজিনা। এ সময় তানজিনার কান্না দেখে আকলিমার আরও ৬ সন্তানকে বিলাপ করতে দেখা যায়।

মা-বাবাকে হারিয়ে ৭ সন্তান দিশেহারা।তাদের কোনো সম্পত্তি নেই। বড় মেয়ে তাহমিনা বলেন, রোববার দুপুরে খাবারের ব্যবস্থাও ছিল না। পরে তারা নানার বাড়ি ছনখলা চলে যান। এর মধ্যে বড় মেয়ে তাহমিনা আক্তারের বিয়ে হয়েছে। তিনি স্বামীর বাড়ি অবস্থান করলেও তেমন অবস্থা নেই।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রায় ১৫ বছর পূর্বে গাজীপুর ইউনিয়নের সোনাচং গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে সুজন মিয়ার (৩৮) সঙ্গে একই ইউনিয়নের ছনখলা গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের মেয়ে আকলিমার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের কোলজুড়ে ৭ সন্তান জন্মগ্রহণ করে। কিন্তু পরবর্তীতে বনিবনা না হওয়ায় সম্প্রতি তাদের মধ্যে তালাক হয়। এরপর খেতামারা আশ্রয়ণে অবস্থান নেন আকলিমা।

শনিবার সন্ধ্যায় সুজনের সঙ্গে রাস্তায় দেখা হয় তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী আকলিমার। এ সময় আকলিমাকে বাড়িতে নেওয়ার জন্য সুজন তাকে টানাটানি করেন। কিন্তু আকলিমা বাড়িতে যেতে চাননি এবং এনিয়ে সুজনকে গালিগালাজ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সুজন তার হাতে থাকা দা দিয়ে ঘটনাস্থলেই আকলিমাকে কুপিয়ে শরীর থেকে বাম হাত আলাদা করে ফেলেন। পরে দা দিয়ে কুপিয়ে একটি পা কেটে ফেলেন।গুরুতর আহত আকলিমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার।

এ ঘটনায় স্বামী সুমনের নামে চুনারুঘাট থানায় মামলা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT