1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

পায়রা নদীর ভাঙনে বিলীন হাজারো মানুষের স্বপ্ন, স্থায়ী বাঁধের দাবি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ১৭২ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :


পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙনে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার ৪ নম্বর আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বহু বসতবাড়ি, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেকে বাধ্য হচ্ছেন অন্যত্র আশ্রয় নিতে। বেড়িবাঁধ না থাকায় নদীতীরবর্তী কয়েকশ পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে।

স্থানীয়রা জানান, পায়রা নদীর আগ্রাসী ভাঙনে বাহেরচর ও আঙ্গারিয়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ প্রতিবছর পানিবন্দি হয়ে পড়ে। ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, গাছপালা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন অনেক পরিবার। একসময় যে জায়গায় ছিল সাজানো সংসার, আজ সেখানে শুধু নদীর বিস্তীর্ণ জলরাশি।

৮০ বছর বয়সী জলিল উদ্দিন ফকির জানান, একসময় তার বাড়িতে ছিল পুকুরভরা মাছ, গোয়ালে গরু এবং ফসলে ভরা জমি। কিন্তু নদীর ভাঙনে সব হারিয়ে এখন শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় ঘর ভেঙে অন্যত্র চলে যেতে হচ্ছে তাকে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বছরের পর বছর ধরে নদী ভাঙনের কারণে পূর্বপুরুষের ভিটেমাটি ও কবরস্থানও হারিয়ে গেছে। অনেক পরিবার এখন আশ্রয়ের সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে ঘুরছে। তাদের দাবি, তারা কোনো সাময়িক সহায়তা নয়, নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ চান।

স্থানীয় বাসিন্দা আলেয়া বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীর ভাঙন দেখতে দেখতে তাদের সাজানো সংসার ধ্বংস হয়ে গেছে। এখন তারা স্থায়ী সমাধানের অপেক্ষায় রয়েছেন।

আরেক বাসিন্দা কামাল হোসেন বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এলাকার আরও অনেক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের পটুয়াখালী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব জানান, ভাঙন ঠেকাতে আপাতত অস্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়েও কাজ চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পটুয়াখালী জেলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ২২ কিলোমিটার বাঁধ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রায় ৬ কিলোমিটার বাঁধ পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, যাতে আর কোনো পরিবারকে বসতভিটা হারিয়ে পথে নামতে না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT