1. admin@banglarakash.com : admin :
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে তরুণীকে যৌনপল্লীতে আটকে রাখার দায়ে নারীর ১০ বছরের কারাদণ্ড রোনালদো-এমবাপেকে টপকে ক্লাবে ৩০০ গোলের মাইলফলকে হালান্ড গ্রিসে বিমান প্রদর্শনীতে কসরতের সময় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, নিহত ২ পাইলট নদী বাঁচানোর আহ্বানে ঘাঘটের বুকে নৌকা বাইচ: দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খেলোয়াড়দের মোবাইল ফোন জব্দ করল পিসিবি: ইংল্যান্ড সফরে নতুন বিতর্ক ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা: আবহাওয়া পূর্বাভাস আমেরিকায় পরিবারহীন জন্মদিন: মেয়েকে না পাওয়ার কষ্টে আবেগপ্লুত ইমরান রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শুরু সিসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. নূরুল ইসলাম বাবুল

রামিসা হত্যা: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আসামির

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ১৪৭ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা। শিশুটির ওপর চালানো নৃশংসতার বর্ণনা দেয় ঘাতক।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ভবনের পাশের ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়।

কী ঘটেছিল রামিসার সঙ্গে ?

আদালত সূত্রে জানা যায়, জবানবন্দিতে সোহেল জানান- মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় ছোট্ট রামিসা। শিশুটির মা সোহেলের বাসার দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এ সময় সোহেল তাকে গলাকেটে হত্যা করে। পরে মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিল। একপর্যায়ে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল বলেও জবানবন্দিতে জানায় ঘাতক। জানায়, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোনো শত্রুতাও ছিল না তার।

মামলা সূত্রে জানা যায়, হত্যার শিকার শিশু রামিসা রাজধানীর একটি স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে বাসা থেকে বের হয়। সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যান। পরবর্তীতে ‎সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য শিশুটিকে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তারা। পরে অনেক ডাকাডাকিতেও কোনো সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন শিশুটির স্বজন ও প্রতিবেশীরা। ওই সময় ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে শিশুটির মথাবিহীন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। এ ছাড়া আরেকটি কক্ষের ভেতরে একটি বালতির মধ্যে তার মাথাটি রাখা ছিল।

আবেদনে আরও বলা হয়, মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে শিশু রামিসার মাথা শরীর থেকে আলাদা করা হয়। সেই সঙ্গে তার সংবেদনশীল অঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করা হয় এবং দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখা হয়। পরে খণ্ডিত মাথাটি বালতির মধ্যে রাখা হয়। অন্যদিকে ঘটনার পর কক্ষের জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সোহেল রানা। প্রথমে স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহলেকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT