1. admin@banglarakash.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফরিদপুরে ২৪ ঘণ্টায় ২৮ নতুন হাম রোগী শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ১৫২ ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মহিলাদলের মানববন্ধন, কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে গ্রেফতারের দাবি স্বাস্থ্যখাতে ১ লাখ কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, সংসদে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে ৫১ হাজার টন জ্বালানি তেলবাহী দুই জাহাজ ৬ মাস ধরে বরিশালে বন্ধ শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের বিসিজি টিকা কার্যক্রম ফরিদপুর জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত প্রশাসককে ঔষধ ব্যবসায়ী সমিতির ফুলেল শুভেচ্ছা শ্রমিকনেতা জাফরুল হাসান খসরুর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ফরিদপুরে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উদযাপন, মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিতে জোর ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করলেন এমপি নায়াব ইউসুফ রামেকে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট ৩৮ জনের প্রাণহানি

৬ মাস ধরে বরিশালে বন্ধ শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের বিসিজি টিকা কার্যক্রম

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৪ Time View

বাংলার আকাশ ডেস্ক :

বরিশালে গত ৬ মাস ধরে শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধের বিসিজি (BCG) টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ভ্যাকসিন মজুদ থাকলেও সিরিঞ্জ সংকটের কারণে এই টিকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী, শিশু জন্মের পরপরই অথবা সর্বোচ্চ ৪৫ দিনের মধ্যে বিসিজি টিকা দেয়া উচিত। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক অভিভাবক ৬ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের সন্তানকে এই গুরুত্বপূর্ণ টিকাটি দিতে পারছেন না।

এদিকে, দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় বরিশালের টিকাকেন্দ্রগুলোতে এখন ভিড় বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। নগরের জেনারেল হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অভিভাবকদের। তীব্র গরম ও ভিড়ের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা।

বরিশাল সদর হাসপাতালে সন্তানকে টিকা দিতে আসা একাধিক অভিভাবক জানান, টিকাকার্ডে উল্লেখ থাকলেও বিসিজি টিকা দেয়া হচ্ছে না—এ বিষয়টি অনেকেই আগে থেকে জানেন না। ফলে টিকাকেন্দ্রে এসে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে।

শিশুর অভিভাবক শিপন বলেন, জন্মের পর প্রাথমিক টিকা দেয়া হলেও ৪৫ দিনের মধ্যে বিসিজি টিকা পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত তা পাননি।
আরেক অভিভাবক নাসরিন আক্তার জানান, হামের ঝুঁকি বাড়ায় সন্তানকে সব টিকা দিয়ে সুরক্ষিত রাখতে চান, কিন্তু সময়মতো টিকা না পাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে।

হাসপাতালের নার্সরা জানান, শুধুমাত্র বিসিজি টিকাই বন্ধ রয়েছে; অন্যান্য সব টিকা নিয়মিত দেয়া হচ্ছে। তবে লোকবল সংকটের কারণে বাড়তি চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক কর্মকর্তা ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, বিসিজি ছাড়া অন্যান্য টিকার পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় প্রতিদিন টিকা নিতে আসা শিশুদের সংখ্যা বাড়ছে।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্র জানান, সিরিঞ্জ সংকটের কারণে বিসিজি টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, যক্ষ্মা একটি সংক্রামক রোগ, যা Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ছড়ায় এবং প্রধানত ফুসফুসে আক্রমণ করে। দীর্ঘদিন কাশি, জ্বর, বুকে ব্যথা, রক্তসহ কফ, রাতের ঘাম ও ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। শিশুদের এই রোগ থেকে সুরক্ষায় জন্মের পরপরই বিসিজি টিকা দেয়া সবচেয়ে কার্যকর।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT