1. admin@banglarakash.com : admin :
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচার তথ্য: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ২৮৮ প্রাণহানি, আহত ৬৩০ মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাজেকে ইউপিডিএফের ৩০–৪০ রাউন্ড গুলি: মানবঢাল সড়িয়ে ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করল যৌথ বাহিনী ঋণের পাহাড়ে চাপা বিশ্ব: বৈশ্বিক ঋণ ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, শুধু সুদেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের নতুন উদ্যোগ: আবুধাবিতে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় রাজি পুতিন সৌদি আরবের কিং ফাহাদ বিমানবন্দরে হামলা: আহত ৯, আরামকোর তেলক্ষেত্রে নিহত ২ সড়কে প্রতিদিন গড়ে ৬৬ মৃত্যু ও ১০৪ জনের পঙ্গুত্ব: একটি দুর্ঘটনাই কেড়ে নিচ্ছে পুরো পরিবারের স্বপ্ন জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে হরদীপ সিং পুরির মুখোমুখি বসা ছবি প্রকাশ: ভারতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক ও পদত্যাগের দাবি প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি ইশরাকের: প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা সকালে খালি পেটে জিরা পানি পানের অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা

সোনালি আঁশেই যেন গলায় ফাঁস!

বাংলার আকাশ ডট কম Email:banglar.akash.sif@gmail.com
  • Update Time : শুক্রবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪২৯ Time View

দেশের বৃহত্তম পাট তথা সোনালি আঁশ উৎপাদনকারী জেলা ফরিদপুর। তবে ভরা বর্ষা মৌসুমে অনাবৃষ্টিতে পানির অভাবে জাগ দিতে না পারায় এবার পাটের গুণগতমান কমেছে। বাজারেও দাম কম হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। এ অবস্থায় সরকারিভাবে পাট ক্রয় করার দাবি জানিয়েছেন পাট ব্যবসায়ী ও কৃষকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাটের গাঁট নিয়ে বিক্রির জন্য বাজারে নিচ্ছেন ফরিদপুরের কৃষকরা। গুদামে স্তূপ করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে দেশের এই সোনালি সম্পদ।

তবে এ বছর পাট নিয়ে দুশ্চিন্তার ভাঁজ কৃষকের কপালে। বছরজুড়ে বৃষ্টি কম হওয়ায় জাগ দিতে না পারায় পাটের আঁশের রং ভালো আসেনি। গত বছর যে পাট প্রতি মণ সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে, এবার সেই পাটের দাম ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় নেমে এসেছে। এতে লাভ তো দূরে থাক কাঙ্ক্ষিত খরচ ওঠা নিয়েই সংশয়ে রয়েছেন কৃষক।

কৃষকরা বলছেন, পানির অভাবে পাট ঠিকমতো পচাতে না পারায় সঠিক রং আসেনি। ফলে ন্যায্য দামও পাচ্ছেন না তারা। অনেকে আবার বিঘাপ্রতি পাটে ৫ হাজার টাকা লোকসানে পড়েছেন।

এ অবস্থায় পাটের দাম নির্ধারণ করে দেয়াসহ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় পাট কেনার দাবি সংশ্লিষ্টদের।

ফরিদপুর কানাইপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফকির বেলায়েত হোসেন বলেন, এখন ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা পাটের বাজার। এটা ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকা হয়ে তা কৃষকের জন্য লাভজনক হবে। আর সরকার যদি কৃষকের কাছ থেকে পাট সরাসরি কিনতো তাহলে কৃষক আরও বেশি লাভবান হতো।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র পাট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন-অর রশিদ বলেন, পাট অত্যন্ত নিম্নমানের হয়েছে। এই পাট বাজারে টোয়াইন মিল ও সুতার মিল মালিকরা কিনতে আগ্রহী না। সরকার যদি দ্রুত সময়ে তাদের পাট ক্রয়কেন্দ্রগুলো না খোলে তাহলে পাটের বাজার দর আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলায় এবার ৮৬ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে, যা থেকে প্রায় সাড়ে ১১ লাখ বেল পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT