1. admin@banglarakash.com : admin :
বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
‘আমি কমিশনারের ভাগ্নে’: ভাঙ্গায় থানার সামনে যুবকের তাণ্ডব ও গুলিবর্ষণ ফরিদপুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টায় বৃদ্ধের ৫ বছরের কারাদণ্ড! চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক টাকায় শিক্ষার উদ্যোগে এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীদের স্কুল ব্যাগ বিতরণ জিয়া ও খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন স্থায়ী কমিটির শ্রদ্ধা বিআরটিসির পিংক মহিলা বাস সার্ভিস উদ্বোধন: রুট ও যাতায়াত তথ্য ইনস্টাগ্রামে ‘দিমাগি নকশাল জনতা পার্টি’র ঝড় উপসচিব পদে ২৭৭ কর্মকর্তার পদোন্নতি! দুবাইয়ে ১ হাজার বাংলাদেশি ট্যাক্সিচালক নিয়োগ র‍্যাব বিলুপ্তির চূড়ান্ত অনুমোদন: আসছে নতুন বাহিনী ‘এসআরবি’ দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি আসাদুজ্জামান

আসামে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২: পানি বন্দি প্রায় দুই লাখ মানুষ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১০৫ Time View
ভারতের আসামে বন্যায় পানিবন্দি মানুষ ও ত্রাণ বিতরণ শিবিরের দৃশ্য

দৈনিক বাংলার আকাশ ডেস্ক:

ভারতের আসাম রাজ্যে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দুর্গতির শেষ নেই সাধারণ মানুষের। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্লাবনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮২ জনে। এখনও রাজ্যের পাঁচটি জেলায় প্রায় দুই লাখ (১,৯২,৭৯৯) মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।

শনিবার (১ আগস্ট) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে ভারতীয় গণমাধ্যম জানায়, শিবসাগর, গোলাঘাট, জোরহাট, নগাঁও এবং চরাইদেও জেলায় ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে চরাইদেও জেলায় সর্বোচ্চ ৭৭ হাজার ৪৫৬ জন এবং শিবসাগরে ৬৩ হাজার ৪৯২ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জোরহাটে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪ হাজার পেরিয়েছে। সম্প্রতি শিবসাগর ও চরাইদেও থেকে নতুন করে দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর মোট প্রাণহানি ৮২-তে পৌঁছায়।

নদীগুলোতে বিপদসংকেত প্রশাসনিক উদ্যোগ

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোলাঘাট, শিবসাগর ও নুমালিগড় সংলগ্ন দিখৌ ও ধানসিরি নদীর পানি মারাত্মক রূপ ধারণ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ওই এলাকাগুলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ১৩ হাজার মানুষ ৫৪টি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচালিত ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া ৫,৩৮৪ জন ক্ষতিগ্রস্তকে ২৬টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

ঋণ পরিশোধে স্থগিতাদেশ বীমা সুবিধা

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনরুদ্ধারে রাজ্য সরকার বেশ কিছু তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন, গবাদি পশু ও বাড়িঘরের বীমা দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আগামী ৫ আগস্ট সরকারি ও বেসরকারি বীমা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে বসবে রাজ্য মন্ত্রিসভা।

একই দিনে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (NBFC) সঙ্গেও আলোচনা করা হবে, যাতে চার মূল ক্ষতিগ্রস্ত জেলা—শিবসাগর, চরাইদেও, জোরহাট ও গোলাঘাটের ঋণগ্রহীতারা কিস্তি পরিশোধে সাময়িক স্থগিতাদেশ পান। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো দ্রুত মেরামতের জন্য সরকারি তহবিল বরাদ্দের কাজও ত্বরান্বিত করা হচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT