1. admin@banglarakash.com : admin :
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পিংক শপিং সেন্টারে কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ, ন্যায়বিচারের দাবি পরিবারের। পাবনা সদরে র‍্যাব ১০ (ফরিদপুর ক্যাম্প) এর অভিযানে অস্ত্র-কার্তুজসহ ৪ জন গ্রেফতার নগরকান্দায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার সাঙ্গু নদীতে ফুল বিসর্জনে তঞ্চঙ্গ্যাদের বর্ষবরণ উৎসব, বান্দরবানে উৎসবের রং শপথ নিলেন শেরপুর-৩ ও বগুড়া-৬ আসনের নবনির্বাচিত দুই এমপি কাপ্তাই হ্রদের পানি সংকটে ৩ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পত্তি নয়: তারেক রহমান বগুড়ায় চলন্ত বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীরা অনলাইন ক্লাস শুরু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, জ্বালানি সংকটে নতুন উদ্যোগ কক্সবাজারে ডোবা থেকে মাথাবিহীন নারীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

সন্তান জন্মের পর হাসপাতালেই বসে পরীক্ষা দিলেন এইচএসসি শিক্ষার্থী

BanglarAkash desk
  • Update Time : সোমবার, ৩০ জুন, ২০২৫
  • ২৪৩ Time View

সন্তান প্রসবের পরেও স্বামী আর স্বজনদের অনুপ্রেরণায় পরীক্ষায় বসেছেন ঈশা আলম (১৯) নামে এক শিক্ষার্থী। বিয়ের পর বাচ্চা গর্ভে থাকতেই নিয়েছিলেন পরীক্ষার প্রস্তুতি।

রোববার (২৯ জুন) শরীয়তপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল নিপুন ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকে বিশেষ ব্যবস্থায় পরীক্ষা দেন ঈশা আলম।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াজেদ কামাল।

জানা যায়, শরীয়তপুর পৌরসভার পশ্চিম কাশাভোগ এলাকার মাহবুবুর রহমান তুষারের স্ত্রী ঈশা আলম। পড়াশোনা করছেন শরীয়তপুর সরকারি কলেজে। সন্তানসম্ভবা অবস্থায় চলতি এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল শহরের সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজ। বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা দেওয়ার পর শুক্রবার রাত ১১টার দিকে প্রসব বেদনা ওঠে। পরে রাতেই স্বজনরা তাকে শহরের বেসরকারি হাসপাতাল নিপুন ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সেখানে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে কন্যাসন্তান জন্ম দেন তিনি।

 

রোববার ছিল বাংলা দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা। এমন পরিস্থিতিতে কীভাবে পরীক্ষায় বসবেন তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে তার স্বজনরা বিষয়টি লিখিতভাবে সরকারি গোলাম হায়দার খান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষকে জানান। আবেদনের ভিত্তিতে হাসপাতালের শয্যায় পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেন কলেজ কর্তৃপক্ষ। রোববার পরীক্ষাকেন্দ্রের নিয়মবিধি মেনে ক্লিনিকের একটি কক্ষের শয্যায় বসে পরীক্ষা দেন ঈশা। পরীক্ষার সময় সদ্যোজাত কন্যাটি তার দাদির কোলে ছিল।

পরীক্ষার্থী ঈশা আলম বলেন, ‌আমার সন্তান যখন পেটে তখন পরীক্ষা চলে আসে। তবে আমি মনোবল হারাইনি। এই অবস্থায় পরীক্ষায় বসার সিদ্ধান্ত নেই। পরিবারের অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতায় আজ আমি পরীক্ষা দিতে পারছি। আমি মনে করি, মনোবল না হারালে প্রত্যেকটি মেয়ে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT